শুধু কোরআন পাঠ কেন? রাষ্ট্রীয় শপথ‑গ্রহণে অসাম্প্রদায়িকতার প্রশ্নে বাংলাদেশজুড়ে বিতর্ক

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় শপথ অনুষ্ঠানে একমাত্র ধর্মীয় অনুষঙ্গ ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট বিতর্ক, সংবিধানিক ব্যাখ্যা, হিন্দু সংখ্যালঘু অবস্থান এবং ধর্মনিরপেক্ষতার বাস্তবতা বিশ্লেষণ।”>

ধর্মনিরপেক্ষতা, বাংলাদেশ সংবিধান, হিন্দু সংখ্যালঘু, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান, শপথ গ্রহণ, অসাম্প্রদায়িকতা, মানবাধিকার, ধর্মীয় বৈচিত্র, secularism in Bangladesh, Hindu minority

রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অসাম্প্রদায়িকতার চ্যালেঞ্জ: সংবিধান, হিন্দু সংখ্যালঘু ও ধর্মনিরপেক্ষতার দাবি

✍️ লেখক: রঞ্জিত বর্মন | 📅 প্রকাশিত: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বাংলাদেশের সাংবিধানিক ইতিহাসে ধর্মনিরপেক্ষতা এমন এক মৌলিক কাঠামো যা স্বাধীনতা সংগ্রামের আত্মাকে ধারণ করে রেখেছে। তবু আজও এই ধারণা বারবার পরীক্ষার মুখে পড়ে। সাম্প্রতিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শপথ‑গ্রহণ অনুষ্ঠানে একমাত্র পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়—অন্য কোনো ধর্মগ্রন্থ থেকে কোনো পাঠ হয়নি। এই সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রীয় অসাম্প্রদায়িক চরিত্র নিয়ে বিস্তর আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এই প্রবন্ধে আমরা দেখার চেষ্টা করব — বাংলাদেশের সংবিধান কী বলে, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে ধর্মীয় বৈচিত্রের অনুপস্থিতি কতটা সংবিধানবিরোধী, হিন্দু সংখ্যালঘুদের অবস্থান কোথায়, এবং একটি সত্যিকারের অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য কী কাঠামোগত পরিবর্তন প্রয়োজন।

১. বাংলাদেশের ধর্মীয় বৈচিত্র ও সংখ্যালঘু বাস্তবতা

বাংলাদেশ মূলত একটি বহু ধর্ম‑সংস্কৃতির দেশ। ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হলেও, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায় দেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশে সমানতালে ভূমিকা রাখছে।

আদমশুমারি অনুযায়ী (২০২১), প্রায় ৮ শতাংশ জনগণ হিন্দু ধর্মাবলম্বী এবং প্রায় ১ শতাংশ অন্যান্য ধর্মাবলম্বী। এই জনগোষ্ঠী শিক্ষা, ব্যবসা, শিল্প ও চিকিৎসায় ঐতিহাসিক অবদান রাখলেও রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রগুলোতে তুলনামূলকভাবে কম দৃষ্টি পায়।

স্বাধীনতার পর থেকে প্রশাসনিক বণ্টনে ভারসাম্য রক্ষার প্রবণতা দেখা গেলেও, দলীয় রাজনীতি ও স্থানীয় প্রভাবের কারণে সংখ্যালঘুরা বারবার নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় দিন কাটায়।

২০২৫ সালে রংপুর, ময়মনসিংহ ও কুমিল্লায় ধর্মীয় বিভ্রান্তি থেকে সহিংসতার কিছু ঘটনা এই উদ্বেগ আরও তীব্র করেছে। এই বাস্তবতায় রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধিত্ব না দেখা আরও গভীর অনিশ্চয়তার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২. সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার ইতিহাস ও আদর্শ

১৯৭২ সালে প্রণীত প্রথম বাংলাদেশ সংবিধানে চারটি মূলনীতি ছিল: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা। তখনকার প্রেক্ষাপট ছিল পাকিস্তানি ধর্মভিত্তিক শাসনের বিকল্প হিসেবে এক সেক্যুলার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠন।

কিন্তু রাজনৈতিক পালাবদলে ১৯৭৫‑এর পর ধর্মনিরপেক্ষতা সরিয়ে ফেলা হয়। পরে ১৯৮৮‑তে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করা হয়। এই ঘোষণার মধ্য দিয়েই অসাম্প্রদায়িক কাঠামোয় বিভাজন শুরু হয়।

২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ধর্মনিরপেক্ষতা ফের সংবিধানের মূলনীতিতে যুক্ত হয়, কিন্তু রাষ্ট্রধর্ম ইসলামও বহাল থাকে—এতে একই সঙ্গে দুটি পরস্পরবিরোধী ধারণা সহাবস্থান করছে।

এই অবস্থার ফলে সরকারি‑প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে একটি অনিশ্চয়তা থাকে — ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে আচরণ করব, না কি রাষ্ট্রধর্মকে প্রাধান্য দেব?

যেমন দেখা যায়, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানগুলোতে কখনো ধর্মনিরপেক্ষ মূল্যবোধ প্রদর্শিত হয়েছে, আবার কখনো একক ধর্মীয় অনুষঙ্গ প্রাধান্য পেয়েছে।

৩. সাম্প্রতিক শপথ‑গ্রহণ অনুষ্ঠান ও বিতর্কের উৎস

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শপথ অনুষ্ঠানে শুধুমাত্র কোরআন পাঠ করা হয়। অন্যান্য ধর্মীয় পাঠ বা প্রার্থনা অনুপস্থিত ছিল। সরকারি ব্যাখ্যায় বলা হয়, এটি “প্রচলিত রীতি” এবং অনুষ্ঠানের সময়সংকটের কারণেই করা হয়েছে।

কিন্তু প্রশ্ন ওঠে—রাষ্ট্র যদি সংবিধান অনুসারে সমতার নীতি মেনে চলে, তবে কেন অন্যান্য ধর্মের অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হলো না? এটি কি নীতিগত ঘাটতি, না কি রাষ্ট্রীয় অগ্রাধিকারের প্রতিফলন?

অনেক বিশ্লেষকের মতে, এই ধরনের একক ধর্মীয় উপস্থিতি ‘অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রচেতনা’-কে দুর্বল করে এবং সংখ্যালঘু নাগরিকদের মনে ‘অন্তর্ভুক্তির সংকট’ তৈরি করে।

৪. একক ধর্মীয় পাঠ — সংবিধানের ব্যাখ্যা দিয়ে দেখা

সংবিধানের ধারা ৮(১)‑এ বলা হয়েছে, “রাষ্ট্রের মূলনীতি ধর্মনিরপেক্ষতা।” আর ধারা ১২‑এ বলা হয়েছে, “কোনো নাগরিককে ধর্মভিত্তিক বৈষম্যের শিকার হতে দেওয়া হবে না।”

এই ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে সব নাগরিকের সমান অধিকার সংরক্ষিত থাকা উচিত। যদি কেবল একটি ধর্মের প্রতীক ব্যবহার হয়, তবে তা ‘পক্ষপাতমূলক প্রতীকায়ন’ হিসেবে ব্যাখ্যা করা যায়।

রাষ্ট্রের প্রতীকী মঞ্চে বৈচিত্রের স্থান না থাকলে, সেটি নৈতিক বা আইনি — উভয় দিক থেকেই সংবিধানবিরোধী ব্যাখ্যার আওতায় পড়ে।

এখানে সংবিধানের মৌলিক চেতনার সঙ্গে রাষ্ট্রচর্চার ব্যবধানই মূল সংকট।

৫. অন্তর্ভুক্তির মনোবিজ্ঞান ও সামাজিক প্রভাব

রাষ্ট্রীয় প্রতীক মানুষকে একাত্ম করে—যখন সবাই বিশ্বাস করে যে রাষ্ট্র তাদের প্রতিনিধি। অথচ কোনো গোষ্ঠী নিজেকে বাদ পড়া মনে করলে ‘মানসিক বিচ্ছিন্নতা’ জন্ম নেয়। এটি দীর্ঘমেয়াদে নাগরিক আস্থাকে দুর্বল করে।

মনোবিজ্ঞান অনুসারে, কোনো সমাজে সংখ্যালঘু যখন তাঁর ধর্ম বা সংস্কৃতি আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পায় না, তখন তা ‘প্রাতিষ্ঠানিক উপেক্ষা’ বা symbolic exclusion হিসাবে কাজ করে, যা পারস্পরিক আস্থার ঘাটতি বাড়ায়।

বাংলাদেশের সামাজিক বন্ধন ঐতিহাসিকভাবে মিশ্র, তবে একক ধর্মীয় প্রভাব যদি পুনরাবৃত্ত হয়, সেটি দীর্ঘমেয়াদে সমাজে অদৃশ্য বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে।

৬. আন্তর্জাতিক তুলনা ও উদাহরণ

দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত একটি সফল মডেল তৈরি করেছে—সেখানে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান, প্রজাতন্ত্র দিবস বা শপথ অনুষ্ঠানে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ—সব ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়।

নেপালে, দেশটি ধর্মনিরপেক্ষ হিসেবে ঘোষিত হওয়ার পর শপথ অনুষ্ঠানগুলোতে ‘পঞ্চশীল সূত্র’ ও হিন্দু মন্ত্র পাশাপাশি পাঠ করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোও এমন প্রথা অনুসরণ করে; তারা ধর্মীয় অংশের পরিবর্তে ন্যাশনাল প্রেয়ার বা ইউনিটি সেরিমনি আয়োজন করে, যেখানে মানবতার কল্যাণ প্রার্থনা থাকে।

বাংলাদেশ চাইলে ‘জাতীয় ঐক্যের প্রার্থনা’ ধরনের অংশ চালু করে সব ধর্মের পাঠকে প্রতীকীভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে।

৭. কেন অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ উল্লেখ করা হয়নি — সম্ভাব্য কারণ

  • প্রচলিত প্রোটোকলের অভাব: রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে ধর্মীয় বৈচিত্র অন্তর্ভুক্তির জন্য কোনো নির্দিষ্ট নির্দেশিকা নেই।
  • প্রশাসনিক জড়তা: অনুষ্ঠান পরিচালনায় যারা দায়িত্বে, তাদের ‘অসাম্প্রদায়িক সচেতনতা’ প্রশিক্ষিত নয়।
  • রাজনৈতিক চাপ বা প্রতিরক্ষা মনোভাব: কিছু দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি ‘জনসংখ্যাগত সংখ্যাগরিষ্ঠের প্রত্যাশা’ কে গুরুত্ব দেন।
  • সাংস্কৃতিক একচেটিয়তা: দীর্ঘদিনের ইসলামকেন্দ্রিক রাষ্ট্রায়ত্ত প্রথা একটি মনস্তাত্ত্বিক ধারা তৈরি করেছে।

এই কারণগুলো একত্রে রাষ্ট্রীয় আচরণের অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র নষ্ট করছে।

৮. রাষ্ট্রীয় চর্চায় বৈষম্যের প্রভাব

অসাম্প্রদায়িকতার অনুপস্থিতি কেবল ধর্মীয় নয়, মানবিক মূল্যবোধকেও আঘাত করে। যখন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে একটি ধর্মই সামনে আসে, তখন অন্য ধর্মাবলম্বীরা নিজেদের ‘দ্বিতীয় স্তরের নাগরিক’ বলে ভাবতে বাধ্য হন।

২০২৫ সালের ঘটনাগুলো প্রমাণ করছে, রাষ্ট্র যদি সকল ধর্মের প্রতি দৃশ্যমান সম্মান না রাখে, তবে সমাজে ঘৃণা‑উত্তেজনা না থাকি — তবু অনিচ্ছাকৃত বৈষম্যের চিত্র তৈরি হয়।

অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রচর্চা গঠনের জন্য তাই আইনের পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক নীতিও জরুরি।

৯. রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সমন্বয় ও নীতিগত সংস্কার

  • ধর্মীয় বৈচিত্র অন্তর্ভুক্ত নীতিমালা: প্রতিটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে সব ধর্মের প্রতীকী প্রতিনিধিত্ব বাধ্যতামূলক করা।
  • প্রোটোকল বোর্ড গঠন: সমাজবিজ্ঞানী, ধর্মীয় নেতা ও মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্তি।
  • সচেতনতা প্রশিক্ষণ: সরকারি কর্মকর্তা‑কর্মচারীদের ধর্মীয় সংবেদনশীলতা বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া।
  • মিডিয়ায় ইতিবাচক প্রচার: টেলিভিশন ও সংবাদমাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক চর্চা ও সহাবস্থানমূলক অনুষ্ঠান সম্প্রচার।
  • শিক্ষা‑পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্তি: ধর্মনিরপেক্ষতার মূল্য ও ঐক্যের সংস্কৃতি নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া।

১০. আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ও কূটনৈতিক প্রভাব

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনেও নিয়মিত আলোচনার বিষয়। জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের রিপোর্টে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রচর্চার দিকে অগ্রগতির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানগুলো যদি প্রতীকীভাবে সব ধর্মের প্রতিনিধিত্ব করে, তবে দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি আরও ইতিবাচক হবে। এটি বৈদেশিক বিনিয়োগ, কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং পর্যটনক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলবে।

১১. নাগরিক প্রতিক্রিয়া ও সামাজিক দাবি

মানবাধিকার সংগঠন, সংখ্যালঘু প্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজের বহুজন এই ইস্যুতে সোচ্চার হয়েছেন। তাদের মূল বক্তব্য—রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি, তাই তা কোনো ধর্মীয় একচ্ছত্রতার প্রতীক হতে পারে না।

ঢাকা, খুলনা ও চট্টগ্রামে নাগরিক মঞ্চ “অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ চাই” নামে প্রতিবাদ ও আলাপ‑আলোচনা করে। সামাজিক মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মও বলছে—ধর্মের প্রতি সম্মান হোক, কিন্তু রাষ্ট্র থাকুক সবার।

১২. ভবিষ্যৎ পথনির্দেশ: এক ঐক্য‑চেতনার বাংলাদেশ

অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র শুধু নীতিতে নয়, আচরণেও প্রতিফলিত হতে হবে। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে সব ধর্মের পাঠ বা প্রার্থনা রাখা একটি ছোট কিন্তু শক্তিশালী পদক্ষেপ হতে পারে, যা নাগরিক ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠবে।

ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মকে অস্বীকার নয়, বরং সব ধর্মকে সম্মান দেওয়া। বাংলাদেশের সংবিধান এই নীতিই শিক্ষা দেয়—রাষ্ট্র কারও ধর্মে হস্তক্ষেপ করবে না, বরং সকলকে সমান মর্যাদা দেবে। এটাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, এবং এটাই জাতির নৈতিক ভিত্তি।

“জাতি তখনই সত্যিকারের স্বাধীন, যখন তার রাষ্ট্র সকল নাগরিকের অন্তর্ভুক্ত অনুভূতি নিশ্চিত করে।” — রঞ্জিত বর্মন

© ২০২৬ | লেখক: রঞ্জিত বর্মন | সমাজবিশ্লেষক ও মানবাধিকারকর্মী

Leave a Comment